২ এপ্রিল রাতে একটি মর্মান্তিক ঘটনায়, খুলনার ফুলতলার নাবিহা কটন মিলে আগুন লেগে যায়, ফায়ার ব্রিগেড ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই প্রতিষ্ঠানটি ছাই হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্যমতে, ঘটনার পরপরই আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় দুর্বৃত্তদের মিলটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যেতে দেখা যায়।
মিলের মালিক সৈয়দ জসিম উদ্দিন তার ব্যবসা ধ্বংসের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদাবাজির টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলো তাকে টার্গেট করেছে। তিনি আরও দাবি করেন যে, তার ব্যবসায়ীক অংশীদার রুবেল অগ্নিসংযোগের জন্য এই ব্যক্তিদের সহযোগিতা করেছিল। “এটি একটি ইচ্ছাকৃত নাশকতার কাজ ছিল,” জসিম তার মিল ধ্বংসের জন্য দ্রæত তদন্ত এবং বিচারের আহŸান জানিয়ে বলেছিলেন।
তবে, একটি ফোন সাক্ষাৎকারে, রুবেল এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন, তিনি হামলায় সহায়তা করেছিলেন এমন দাবি অস্বীকার করেছেন।
ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং মিল শ্রমিকদের হতাশয় ফেলেছে। কারণ, অনেক কর্মচারী যারা তাদের জীবিকার জন্য মিলের উপর নির্ভরশীল ছিল তারা এখন হঠাৎ বেকারত্বের সম্মুখীন হয়েছে। সম্প্রদায়ের সদস্যরা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করার জন্য এবং দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করার জন্য অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আহŸান জানিয়েছে।
পুলিশ এবং ফায়ার কর্তৃপক্ষ এখনও আগুনের কারণ সম্পর্কে কোন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করতে পারেনি, এদিকে, সম্প্রদায় নাবিহা কটন মিলের ক্ষতির জন্য উত্তর এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় অপেক্ষা করছে।
Leave a Reply