1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. firstbdnews@wp-ads.net : Firstbdnews Customer : Firstbdnews Customer
  4. najmulhasan7741@gmail.com : najmul hasan : najmul hasan
  5. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  6. support@wordpness.org : WordPress Technical : WordPress Technical
  7. backup@wordpress.com : wp-backup :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন

হজমে সহায়ক ও শরীর সতেজ রাখতে ঘরোয়া ৫ পানীয়

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

ঈদের টানা কয়েক দিনের মুখরোচক খাবারের কারণে পরিপাকতন্ত্রের ওপর বড় ধকল পড়ে। তেল-চর্বি ও মশলাযুক্ত খাবারের প্রভাবে শরীরে ক্লান্তি, পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। এই অস্বস্তি কাটিয়ে শরীরকে সতেজ ও হালকা রাখতে, বাড়িতে তৈরি কিছু পানীয় খুব কার্যকর। নিচে পাঁচটি স্বাস্থ্যকর পানীয় ও প্রস্তুতির নিয়ম তুলে ধরা হলো-

সঠিক নিয়মে পানি পান : ভারী খাবারের পর শরীর সুস্থ ও সতেজ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পর্যাপ্ত পানি। পানি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে এবং অতিরিক্ত চর্বি বা মিষ্টির প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। তবে খাবারের সময় অতিরিক্ত পানি পান না করে, খাবার শেষ হওয়ার অন্তত ১৫-২০ মিনিট পর পান করা ভালো। এতে পেটে অস্বস্তি বা বদহজমের ঝুঁকি কমে।

টক দই বা বোরহানি : ঈদের খাবারের সঙ্গে বা পরে টক দই দিয়ে তৈরি পানীয় অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। টক দইয়ের উপকারী উপাদান পাকস্থলীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে এবং হজমে সরাসরি সাহায্য করে। বাড়িতেই সামান্য বিট লবণ, জিরা গুঁড়ো এবং পুদিনা পাতা মিশিয়ে বোরহানি বা ঘোল তৈরি করা যায়। এটি ভারী খাবারের অস্বস্তি দূর করে শরীরকে হালকা রাখে।

লেবু, লবণ ও পুদিনার মিশ্রণ : দ্রুত সতেজতা পেতে এক গ্লাস পানিতে লেবুর রস এবং সামান্য লবণ মিশিয়ে নিন। স্বাদ বাড়াতে এতে কিছু পুদিনা পাতা যোগ করা যেতে পারে। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড হজমে সহায়তা করে এবং পুদিনা পাতা শরীরের অস্থিরতা কমায়। চাইলে সামান্য তেঁতুল পানি বা বিট লবণও মিশানো যেতে পারে, যা দ্রুত হজমে সাহায্য করে।

তাজা জিরা পানি : হজমের সমস্যায় জিরা পানি খুবই কার্যকর। প্যাকেটজাত জিরা পানির চেয়ে বাড়িতে তৈরি তাজা জিরা পানি বেশি ফলপ্রসূ। এক গ্লাস পানিতে আস্ত জিরা ফুটিয়ে বা জিরার গুঁড়ো মিশিয়ে পানীয় তৈরি করা যায়। এটি শরীরের বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) বাড়ায় এবং পেট ফাঁপা বা গ্যাসের সমস্যা কমায়।

ফল ও দইয়ের মিশ্রণ (স্মুদি) : বিকাল বা সন্ধ্যার জন্য বিভিন্ন ফল ও দই মিশিয়ে তৈরি স্মুদি শরীরকে সতেজ রাখে এবং প্রয়োজনীয় খনিজ যোগায়। তবে এই ধরনের পানীয় তুলনামূলক ভারী হওয়ায়, মূল খাবারের সঙ্গে একসঙ্গে না খেয়ে অন্তত ২-৩ ঘণ্টা বিরতিতে গ্রহণ করা ভালো। শসা, লেবু ও পুদিনা দিয়ে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার সারাদিন অল্প অল্প করে পান করলে শরীর ভেতর থেকে হালকা থাকে।

কোনো পানীয়তেই অতিরিক্ত চিনি মেশানো থেকে বিরত থাকুন। চিনি হজম প্রক্রিয়া ধীর করে এবং অতিরিক্ত ক্যালরি যোগ করে। বাজারজাত রঙিন বা প্যাকেটজাত কোমল পানীয়ের বদলে বাড়িতে তৈরি প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করুন। খাবারের মধ্যেই অতিরিক্ত তরল গ্রহণ এড়িয়ে চলুন; খাবার শেষে পানীয় গ্রহণ করুন।

সঠিক খাবার ও পানীয় নির্বাচন ঈদের আনন্দকে করে তোলে আরও ফুরফুরে। নিজের সুস্থতা নিশ্চিত করাই হলো প্রকৃত ঈদ উদযাপনের সার্থকতা। তাই স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিমিতিবোধের মাধ্যমে আমাদের ঈদের আনন্দ হয়ে উঠুক দীর্ঘস্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *