1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না: প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। রোববার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য কিংবা স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। গুমের মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের বিচারের মুখোমুখি করে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।

গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানিয়ে প্রেসিডেন্ট বলেন, বিগত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে গোপন বন্দিশালা ও গুমের দুঃসহ থাবা বাংলাদেশের মানুষের ওপর চেপে বসেছিল। তিনি সেইসব মা-বাবা, ভাই-বোন ও স্বজনদের কথা স্মরণ করেন, যারা বছরের পর বছর প্রিয়জনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। বিশেষ করে সেইসব সন্তানদের কথা উল্লেখ করেন, যাদের শৈশব কেটেছে বাবার ফেরার অপেক্ষায়, কিন্তু বাবা আর ফিরে আসেননি। তিনি গুমকে কেবল একটি অপরাধ নয়, বরং মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেন, যা ভুক্তভোগী পরিবারের শান্তি ও স্বপ্ন কেড়ে নেয়।

প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন বা ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন, তাদের স্তব্ধ করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে গুম ও গোপন খুনের মতো ঘটনা ঘটানো হয়েছে। অথচ তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকার সর্বদা এসব গুরুতর অপরাধ অস্বীকার করে এসেছে। তিনি এই দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করার অঙ্গীকার করেন। গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের পবিত্র দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা এমন একটি রাষ্ট্র চাই যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না। সেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনের শাসনে চলবে এবং ক্ষমতার ওপর সংবিধানের নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমান সরকার গুমের শিকার পরিবারগুলোর সহায়তায় উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘আমি তীব্র কষ্ট-বেদনা নিয়ে এবং গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে জোরপূর্বক গুমের শিকার সকল মানুষকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিটি গুমের ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের তা সে যতো বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: স্মরণ করছি সেই স্ত্রীকে, যিনি প্রিয় স্বামীকে হারিয়ে একা জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেড়ে নেয় প্রিয়জনদের হাসি, শান্তি, স্বপ্ন, অর্থনৈতিক-সামাজিক স্বস্তি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আইনশৃঙ্খলা থাকবে-কিন্তু আইনের নামে মানবাধিকার ও সুবিচার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *