1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

প্রেক্ষাপট: লারাক দ্বীপে মার্কিন হামলার জবাবে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়েছে। দক্ষিণ ইরানের লারাক দ্বীপে মার্কিন সামরিক অভিযানের জবাবে জর্ডানে অবস্থিত দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আগ্রাসনের শাস্তি’ শিরোনামের এই সমন্বিত অভিযানে জর্ডানের কিং হুসেন এবং আল আজরাক ঘাঁটিতে নিখুঁত আঘাত হানা হয়েছে। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় শত্রু পক্ষের যুদ্ধবিমান রাখার স্থানসহ প্রযুক্তিগত ও মেরামত অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

জর্ডানের সামরিক বাহিনী অবশ্য দাবি করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী আটটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। উভয় পক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের কোনো ঘাঁটিতেই কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লারাক দ্বীপে রবিবারের মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তেহরান এই পাল্টা আঘাত হেনেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট নিয়ে দুই পক্ষ বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বিবৃতিতে রবিবারের মার্কিন হামলাকে ‘আগ্রাসী কার্যকলাপ’ হিসেবে অস্বীকার করেছে। সেন্টকমের ভাষ্যমতে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি বাহিনীকে মাইন স্থাপন থেকে বিরত রাখতেই কেবল ‘সীমিত ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ইরানকেই দায়ী করেছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, ইরানের ফার্স সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে যে, ওই মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলায় সেনা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই সংঘাত বর্তমানে সপ্তম মাসে গড়িয়েছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কঠোর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল বজায় রেখেছে, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা ও তেল পরিবহন অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়ে আসছে তেহরান। বিশ্লেষকদের মতে, লারাক দ্বীপ ও জর্ডানের ঘাঁটিতে এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা দীর্ঘমেয়াদী সামরিক সংঘাতকে আরও উস্কে দিয়েছে। হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের অনমনীয় অবস্থানের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও তেলের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বাড়ায় মুদ্রাস্ফীতি তৈরি হয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টার জবাব আরও বিধ্বংসী উপায়ে দেওয়া হবে এবং তারা যেকোনো দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতে লড়তে প্রস্তুত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *