1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন

বাবার দেওয়া ১০ হাজার টাকায় শুরু, এক দশকের পথচলায় নিশাতের ‘অরাম বাংলাদেশ

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় ২০১৬ সালে বাবার কাছ থেকে নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন নিশাত আনজুম। বাবা ভেবেছিলেন মেয়ে হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য টাকাটা চেয়েছে, কিন্তু নিশাত সেই টাকায় ৭০ থেকে ৮০টি পোশাক তৈরি করে একটি প্রদর্শনীতে অংশ নেন। প্রথম দিনেই তাঁর তৈরি পোশাকের বড় একটি অংশ বিক্রি হয়ে যায়, যা তাঁকে নতুন করে স্বপ্ন দেখায়।

শুরুর সেই সাফল্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অরামের কার্যক্রম বিস্তৃত করেন নিশাত। ২০১৭ সালে বাড্ডায় তিনি নিজস্ব কারখানা স্থাপন করেন। নিশাত জানান, শুরুর দিনগুলোতে কাপড় সংগ্রহ থেকে শুরু করে উৎপাদন—সবকিছুই ছিল নতুন অভিজ্ঞতা। কাজ করতে করতেই তিনি সব শিখেছেন এবং ক্রেতাদের ইতিবাচক সাড়া তাঁকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জুগিয়েছে। বর্তমানে শাহজাদপুরে অরামের নিজস্ব কারখানা রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটিতে সব মিলিয়ে ২৭ জন কর্মী কাজ করছেন।

২০১৯ সালে বনানী ও জেনেটিক প্লাজায় অরামের দুটি বিক্রয়কেন্দ্র চালু হয়েছিল। তবে করোনা মহামারির সময় জেনেটিক প্লাজার দোকানটি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে বনানীতে প্রতিষ্ঠানটির অফিস ও বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে। অরামের পোশাক তৈরিতে মূলত দেশীয় কাপড় ব্যবহার করা হয়, যা পঞ্চগড়, রাজশাহী, নরসিংদী ও ইসলামপুর থেকে সংগ্রহ করা হয়। এখানে শাড়ি, থ্রি-পিস, কুর্তা ও কো-অর্ড সেটের মতো বৈচিত্র্যময় পোশাক পাওয়া যায়।

আইন পেশার সঙ্গে যুক্ত নিশাত আনজুমের উদ্যোক্তা জীবনের পথচলা সব সময় মসৃণ ছিল না। নিজের নকশা করা পোশাক অন্য প্রতিষ্ঠানে নকল হতে দেখার মতো হতাশাজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখিও তাঁকে হতে হয়েছে। তবে তিনি একে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে না দেখে বরং নতুন নতুন নকশা তৈরির দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। নিশাতের বিশ্বাস, মৌলিক নকশা ও পণ্যের মান বজায় রাখলে একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে পারে। দেশীয় পোশাককে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজলভ্য করে তোলাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অরাম বাংলাদেশে সব মিলিয়ে কাজ করছেন মোট ২৭ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *