1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২২ অপরাহ্ন

সিলেটে দেশের প্রথম ড্রোন যুদ্ধ প্রশিক্ষণকেন্দ্রের যাত্রা শুরু

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দেশের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ব্যবস্থা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সিলেটে চালু হয়েছে দেশের প্রথম ‘সীমান্ত স্কুল অব সারভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিজিবি সেক্টর সদর দপ্তরে এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। উদ্বোধনের পর তিনি কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং ড্রোনের ব্যবহারিক মহড়া ও প্রদর্শনী প্রত্যক্ষ করেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব দুর্গম সীমান্ত এলাকায় জনবল দিয়ে নিয়মিত টহল দেওয়া কঠিন, সেখানে ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ও ড্রোন ব্যবহার করা হবে। বিশেষ করে নাইট ভিশন ও থার্মাল ইমেজিং সুবিধাসম্পন্ন ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্তের ওপারে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সহজ হবে। এর ফলে চোরাচালান, মাদক ও অস্ত্র পাচার এবং মানব পাচারের মতো আন্তসীমান্ত অপরাধগুলো কার্যকরভাবে দমন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির মূল উদ্দেশ্য হলো ড্রোন ও ডিজিটাল নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ জনবল তৈরি করা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে সীমান্তের বর্ডার আউটপোস্ট, বিজিবি সদর দপ্তর এবং আঞ্চলিক কমান্ড পর্যায় থেকে সরাসরি সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি করা হবে। এছাড়া বিজিবির জন্য দেশেই ড্রোন তৈরি ও সংযোজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা নিজেরাই ড্রোন অ্যাসেম্বল করছি, যা ভবিষ্যতে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

বর্তমানে এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের আধুনিক ড্রোন রাখা হয়েছে। তবে সব ধরনের উন্নত প্রযুক্তি এখনো সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে আরও উন্নত ড্রোন এখানে যুক্ত করা হবে। শুধু সীমান্ত সুরক্ষাই নয়, দুর্যোগকালীন ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধারকাজেও ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। বিজিবি সদস্যরা ইতিমধ্যে এ ধরনের কাজে ড্রোনের ব্যবহার শুরু করেছেন।

আপাতত বিজিবি সদস্যদের জন্যই এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন ও সুযোগ অনুযায়ী বেসামরিক ব্যক্তিদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও উন্নয়নের কাজে এই সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *