1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে নিকৃষ্টতম অপরাধ হিসেবে অভিহিত করলেন প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্সকে বিশ্বের অন্যতম নিকৃষ্ট ও ভয়ংকর অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত এই অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গুম কেবল একজন ব্যক্তির হারিয়ে যাওয়া নয়, বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের মৃত্যু। আজ ৩০ আগস্ট, আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশনস নাউ’।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল গুম হওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার দমনের উদ্দেশ্যে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকার গুম ও অপহরণের মতো অমানবিক পথ বেছে নিয়েছিল। সেই সময়ে ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতা ও আন্দোলনকারীদের দমনের জন্য গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়েছিল, যা জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পায়। দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করে সেই সরকার অন্তত সাত শতাধিক মানুষকে গুম করেছে বলে তিনি জানান।

ফ্যাসিবাদবিরোধী দীর্ঘ সংগ্রামের পর ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সেই চক্রের পতন ঘটে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পরিবর্তনের ফলে গুমের শিকার সৌভাগ্যবান কেউ কেউ ফিরে এলেও ইলিয়াস আলী কিংবা চৌধুরী আলমের মতো অসংখ্য মানুষের আজও কোনো খোঁজ মেলেনি। তিনি আরও জানান, আইসিসির রোম সনদের ৭(২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এর দৃষ্টান্তমূলক বিচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রতিটি গুমের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধে সরকার আইনি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। সরকার আশা করছে, এই বিলগুলো আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে আর কেউ গুম বা অপহরণের মতো জঘন্য অপরাধের পথ বেছে নেওয়ার সাহস পাবে না।

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী এই মনুষ্যত্বহীন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিচার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে ঐক্য ও সংহতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের অনিশ্চিত অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র দায়বদ্ধ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *