লর্ডসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটি ছিল বেশ ঘটনাবহুল। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ড শুরুতেই মোহাম্মদ আব্বাসের তোপের মুখে পড়ে। মাত্র ৩৬ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা বড় বিপদে পড়েছিল। তবে জেমি স্মিথ ও জর্ডান কক্সের লড়াকু ব্যাটিংয়ে সেই বিপর্যয় কাটিয়ে দিন শেষে ৯ উইকেটে ২৪৮ রান সংগ্রহ করেছে ইংল্যান্ড। আলোর স্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই দিনের খেলার সমাপ্তি ঘটে।
ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামাতে বড় ভূমিকা রাখেন অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। মাত্র ১৬ বলের ব্যবধানে মাত্র ৪ রান দিয়ে তিনি ৩ উইকেট তুলে নেন। তার শিকারের তালিকায় ছিলেন বেন ডাকেট, হ্যারি ব্রুক এবং অধিনায়ক জো রুট। বিশেষ করে রুটকে মাত্র ৪ রানে ফেরানো পাকিস্তানের জন্য ছিল বড় সাফল্য। দিনশেষে আব্বাস ১৫ ওভারে ৫৬ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছেন। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মোহাম্মদ আলি, যিনি ১৭ ওভারে ৬৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন।
ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরাতে জেমি স্মিথ ও জর্ডান কক্সের জুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কক্স ৮৮ বলে সাতটি চারের সাহায্যে ৫৫ রান করেন, যা তার টানা দ্বিতীয় টেস্ট ফিফটি। অন্যদিকে, স্মিথ ৬৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে শেষ পর্যন্ত ৬১ রান করেন। তাদের দুজনের ৬৭ রানের জুটি দলকে বিপদ থেকে অনেকটাই বের করে আনে। এর আগে ড্যান লরেন্স ১০ রানে আউট হন, যেখানে বাবর আজমের নিখুঁত থ্রো থেকে মোহাম্মদ রিজওয়ান তাকে রানআউট করেন।
দিনের শেষভাগে পাকিস্তান আবারও ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলেছিল। মোহাম্মদ আলি স্মিথ ও অলিভার রবিনসনকে সাজঘরে ফিরিয়ে দেন। তবে জফরা আর্চারের একটি ছক্কা এবং গাস অ্যাটকিনসনের অপরাজিত ৩৪ রানের ইনিংস ইংল্যান্ডকে আড়াইশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে দেয়। দিন শেষে অ্যাটকিনসনের সঙ্গে ১ রানে অপরাজিত আছেন জ্যাক লিচ। হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে ১০৩ রানে হেরে যাওয়া পাকিস্তান লর্ডসে ঘুরে দাঁড়ানোর জোরালো আভাস দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: টস হেরে ব্যাট করতে নেমে একসময় ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল স্বাগতিকেরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মিডউইকেট থেকে বাবর আজমের নিখুঁত থ্রোতে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে বল পৌঁছালে ১০ রানে ফিরতে হয় লরেন্সকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে জফরা আর্চারের একটি ছক্কা এবং গাস অ্যাটকিনসনের অপরাজিত ৩৪ রানের ইনিংসে শেষ পর্যন্ত ২৫০-এর কাছাকাছি পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।
Leave a Reply