1. iamparves@gmail.com : admin :
  2. najmulhasan7741@gmail.com : Najmul Hasan : Najmul Hasan
  3. janathatv19@gmail.com : Shohag Khan : Shohag Khan
  4. backup@wordpress.com : wp-backup :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবিতে অনড়

Reporter Name
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের পরিবর্তে আংশিক সংস্কারের অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল সংসদে উত্থাপনের ঠিক আগমুহূর্তে তারা অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। রাত ৮টা ৬ মিনিটে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ ত্যাগ করেন এবং পরে গণমাধ্যমের সামনে নিজেদের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন।

সংসদে বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর আইন প্রণয়ন কার্যক্রম শুরুর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ সময় তিনি জুলাই সনদ, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটির কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। এরপরই মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিলের কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বিরোধী দল ওয়াকআউট করে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম বৈঠকে নিয়ম অনুযায়ী এসব অধ্যাদেশ উপস্থাপন করা হয়, যার অনুমোদন বা অননুমোদনের সময়সীমা ছিল ১০ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিল আকারে উত্থাপন না করায় সেগুলো কার্যকারিতা হারায়। এছাড়া সাতটি অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়।

সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, গুম প্রতিরোধ, পুলিশ কমিশন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ যে ১৬টি অধ্যাদেশ বিলে রূপান্তরিত হয়নি, সেগুলো অধিকতর যাচাই-বাছাই করে নতুন করে বিল আকারে আনা হবে। এর মধ্যে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশটিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলনের জন্য ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে একটি বিল পাস করা হয়েছিল। সে সময় সরকার মানবাধিকার কমিশন আইনকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

এই ধারাবাহিকতায় গত ৩ আগস্ট গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়া এবং ১০ আগস্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায়। তবে এই খসড়াগুলো অনুমোদনের পর থেকেই মানবাধিকারকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে খসড়ার কয়েকটি নির্দিষ্ট বিধান নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ থেকে আপত্তি তোলা হয়েছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *